Saturday, April 18, 2015

একটি ভুল ধারণা সংশোধন

একটি ভুল ধারণা সংশোধন
*****************************
অনেকে মনে করে দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ শুধু মাত্র মুসলমানদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তাদের এ ধারণা মোটেও ঠিক না। বরং উলামায়ে কেরামের একটি বৃহৎ অংশ নিজেদের জান, মাল, সময় ব্যয় করে অমুসলিমদের মধ্যে ও (দাওয়াত ও তাবলীগের) কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
যার জলন্ত প্রমাণ ইন্ডিয়ার মাও.কালিম সিদ্দিকি দা.বা.। যার হাতে আজ অগনিত বিধর্মী বিশেষ করে হিন্দুরা মুসলমান হয়েছে এবং হচ্ছে। আর বিপথগামী মুসলিম যারা তাঁর হাত ধরে মুরতাদ হওয়া থেকে ফিরে এসেছে তাদের সংখ্যা ও অনেক।
বাংলাদেশেও হুজুরের হাতে গড়া তেজী,উদ্যমী,হক্কানি আলেমদের একটি বৃহৎ জামাত (মা শা আল্লাহ্‌) বিধর্মীদের মাঝে কাজ করে যাচ্ছে। যাদের কে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি এবং সম্পর্ক ও আছে। এইতো সেদিন এক হিন্দু নওজোয়ান আমার কাছে কালিমা পড়তে আসে। আমি তাকে কালিমা পড়িয়ে পরিচয় করিয়ে দেই ঐ ভাইদের সাথে। সাথে সাথেই পরিলক্ষিত হতে থাকে এ কাজে তাদের আগ্রহ আর ত্যাগ কি পরিমাণের। ঐ ভাইয়ের খোঁজ নেয়া শুরু করেন নিয়মিত।
এমনকি তাঁর প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র ও নিজ উদ্যোগে করে দিয়েছেন।
এটি একটি ঘটনা মাত্র। এ রকম হাজারো কাজ আলহামদুলিল্লাহ তারা আনজাম দিচ্ছেন।
বিশেষ করে উত্তর বঙ্গে তারা যে হারে মেহনত দিচ্ছে একমাত্র দ্বীনের খাতিরে তা বর্ণনা করে শেষ করা যাবেনা।
পরিশেষে শুধু এতটুকুই বলব ঐ ভাইদের, যারা হয়ত না বুঝে অথবা কারো ভুল বুঝানর কারনে দাওয়াত ও তাবলীগ নিয়ে অশোভন কথা বলেন তারা যেন সংযত হন। আর কোন বিষয়ে সন্দেহ , সংশয় বা প্রশ্ন যুক্ত মনে হলে যেন সঠিক টা জেনে নেয়ার চেষ্টা করেন।
আল্লাহ্‌ আমাদের সবাইকে বুঝার- আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
প্রচারেঃjirubd.com
কারো কোন প্রশ্ন থাকলে এ সাইটে লিখে পাঠাতে পারেন।

জেনারেল শিক্ষত ও সাধারণ দ্বীনদার ও আহলে হাদিস ভাইদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান

জেনারেল শিক্ষত ও সাধারণ দ্বীনদার ও আহলে হাদিস ভাইদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান
**************************************************************************
আহলে হাদিসদের কিছু প্রশ্নের জবাব মূলক পোস্ট দিচ্ছি বলে দীনি ভাবাপন্ন কিছু জেনারেল শিক্ষিত ও সাধারণ দ্বীনদার ভাইদের মাঝে আমার ব্যপারে কিছুটা ভুল বুঝা বুঝি হচ্ছে বলে আঁচ করছি।আর এ জন্যই দেখছি অনেকে বেশ কড়াভাবে কমেন্টও করছেন।
আসলে কাউকে খাটো, ঘায়েল বা আঘাত দেয়া আমার বা আমাদের কারোরই উদ্দেশ্য না। বরং কিছু ভাইদের সালফে সালেহিন বিরুধী অবান্তর ও অযুক্তিক প্রশ্নের উত্তর দেয়াই উদ্দেশ্য।
দেখুন আহলে হাদিস ভাইদের সাথে আমাদের ব্যক্তিগত কোন দুশমনি নেই যে তাদের বিরুদ্ধে লিখতে হবে। এমনকি আমরা তাদের বিরুধিতা ও কিন্তু করছিনা।

কিন্তু দেখুন তারা ঢালাওভাবে মাজহাব অনুসারীদের মুশ্রিক আখ্যা দিয়ে নিজেরাই একমাত্র হকের উপর আছে এমন দাবি করছে। আর একের পর এক বিভিন্ন মতবিরোধ পূর্ণ মাসআলা সাধারণ লোকদের মাঝে তুলে ধরে বিভ্রান্ত করছে।
বলুন তো! সাধারণ মানুষ এর কি বুঝে?আর এর প্রয়োজনও বা কি?
তাদের মতবাদ যারা গ্রহন করেনি বা করছেনা তাদের কে তারা ইমানদার মনে করে কিনা সন্দেহ।আর এজন্যই দেখা যায় তারা অনেক সময় বলে যে এ মতবাদ গ্রহণ করে যেন আমরা নতুন করে মুসলমান হলাম । বলুন ? এটা কি বাড়াবাড়ি না?
দেখুন এটা সাভাবিক কথা যে,আমাদের ব্যাপারে , আমাদের আকিদা - বিশ্বাস, দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে লাগাতার একটা পক্ষ প্রশ্ন তুলে ই যাচ্ছে। এমনকি চ্যালেঞ্জও করছে।
এখন আপনারাই বলুন?তাদের জবাব দেয়া কি আমাদের জিম্মাদারি নয়? আপনাদের সামনে কি সঠিক জিনিসগুলো তুলে ধরা আমাদের দায়িত্তের মধ্যে পড়েনা? সঠিক জিনিস জেনেও কি নিশ্চুপ থাকা যায়?হাজার বছরের মীমাংসিত বিষয় নিয়ে নতুনভাবে যারা উম্মাহর মাঝে সংশয় সৃষ্টি করছে কি তাদের উদ্দেশ্য? এটা কি জানানো দরকার না?
উম্মাহর মান্নবর ইমামদের ব্যাপারে যারা বিশোদগার করছে , মানুষের মধ্যে ভুল কথা প্রচার করছে তা জেনেও আমরা কিভাবে চুপ থাকব?
প্রিয় ভাইয়েরা আপনাদের কমেন্ট গুলো আমাদের হৃদয়ে একটুও আঘাত করেনি। বরং ভাল লাগছে। দ্বীনের আপনাদের প্রতি মায়া দেখে। আর নিজেদের বড়ই অপরাধী মনে হচ্ছে এ ভেবে যে ,আমাদের সঠিক কথা গুলো কেন আপনাদের সামনে আগে তুলে ধরিনি?
যাই হোক ,পরিশেষে একটি আহ্বান। আপনাদের প্রতি এবং আহলে হাদিস ভাইদের প্রতি । সেটা হল আপনারা নিরপেক্ষভাবে আমাদের কথাগুলো শুনুন। উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশ্নের আমাদের প্রদত্ত জবাব গুলো দেখুন,শুনুন। তারপর সিদ্ধান্ত নিন।
আল্লাহ্‌ তাতালা আমাদের কে সঠিক পথে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।
বিনয়াবনতঃ মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী
প্রচারেঃ www.jirubd.com

একটি (নির্মম) বাস্তব ঘটনা

একটি (নির্মম) বাস্তব ঘটনা।
********************************
মুহাম্মদ রবিউল ইসলাম। আমার বড় ভাইয়ার সাথে চলাফেরা। এ সুবাদে আমার সাথে ও ভালই সখ্যতা। খুবই সহজ সরল। একটা সময় নামাজ - রোজার ধার না ধারলেও ভাইয়া ও আমার প্রচেষ্টায় , দাওয়াত ও তাবলীগে সময় লাগিয়ে এখন নামাজ পড়ছেন। হক্কানি উলামাদের খুবই পছন্দ করেন। তাঁর একমাত্র ছেলেকেও মাদরাসায় পড়তে দিয়েছেন। তাঁর সবচেয়ে বড় একটা গুন, তিনি খুবই পরোপকারী। আমাদের পরিবারের ও অনেক কাজ করে দেন নিঃস্বার্থ ভাবে।
গত দুদিন আগে সে তাঁর মাদরাসায় পড়ুয়া ছেলেকে দেখার জন্য বাড়ি থেকে cng তে করে রওয়ানা দেয়। কিছুদূর যাওয়ার পর তাদের cng টা এক্সিডেন্ট হয়। এতে তিনি সহ আরোহী সবাই আহত হন। তবে এক ভাই খুব বেশী আহত হয়ে পরে থাকেন। কিন্তু উপস্থিত কেউ তাকে সাহায্য করছেনা দেখে রবিউল ভাই নিজের ব্যথার কথা ভুলে তাঁর সভাব সুলভ ঐ আহত ভাইকে তুলে পাশের একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বললেন এখানে হবে না । তাকে কুমিল্লা মেডিকেলে নিতে হবে। রবিউল ইসলাম ভাই নিজ পকেটের টাকা দিয়ে ভাড়া দিয়ে তাই করলেন। হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তারদের হাতে ঐ লোককে তুলে দিয়ে তিনি কিছুটা নির্ভার হয়ে আসার ইচ্ছা করলে ও পরে আবার ভাবলেন লোকটার কি হয় না হয়? তাই অপেক্ষায় থাকলেন শেষ অবস্থা জানার জন্য।
কিছুক্ষন পর তিনি দেখলেন ঐ আহত লোক বের হয়ে এসেছে। পথিমধ্যেই সে দু চার জন লোকের সাথে কি যেন বলে চলে গেলেন।
এর একটু পরেই রবিউল ইসলাম ভাই দেখলেন কিছু লোক তাঁর দিকে আসছে। এসেই তারা বলল, তুমি ওমোক লোকের মাথা ফাটিয়েছ।
তিনি বললেন না । বরং আমি তাকে উদ্ধার করেছি। যদি আমার কথা বিশ্বাস না হয় আপনারা তাকে ডাকুন।
তারা কোন কথা না শুনে আরও কয়েকজন মিলে রবিউল ভাইকে মারা আরম্ভ করল। এবং একটা পর্যায়ে তাকে হাস্পাতালের একটি কক্ষে বন্ধি করে রাখল।
কিছুক্ষণ পর তাদের আসল চেহারা ও উদ্দেশ্য পরিস্কার হল। তারা উনাকে চাপ দিলেন বিষ হাজার টাকা দেয়ার জন্য। অন্নথায় তাকে ছাড়বেন না।
দীর্ঘ ৭ ঘণ্টা এ অবস্থা চলার পর তিনি নিরুপায় হয়ে আমার ভাইয়ার কাছে ফোন দিলেন।
ভাইয়াও তাঁর অসহায় অবস্থার কথা বিবেচনা করে টাকা পাঠিয়ে দিলেন। পরে সে জানে রক্ষা পেল।
ঘটনা বলার উদ্দেশ্য হল, এ কোন ধরনের আচরণ? যাকে উদ্ধার করলেন এই লোক ই তাকে ডাকাতদের হাতে তুলে দিয়ে গেল। তিনি যার জন্য জীবনের মায়া ত্যাগ করে , নিজের শারীরিক কথা না ভেবে চিকিৎসা দিলেন আর সেই কিনা তাঁর সাথে এ আচরন করল। আল্লাহ্‌ মাফ করুন। আর সাবধানতার সাথে পা বাড়ানোর তাওফিক দান করুন।
প্রচারেঃ jirubd.com

ইমাম আবু হানিফার (রহঃ) হাদীসের জ্ঞান

প্রশ্নঃ কিছু ভাই বলেন ইমাম আবু হানিফ রহ. হাদিস জানতেন না । এ জন্য তাঁর বর্ণিত হাদিস কম।এ কথা কি সঠিক?
উত্তরঃ না ভাই,এ কথা সঠিক নয়।বরং তিনি হাফেজে হাদিস ছিলেন। অনেক হাদিস তাঁর জানা ছিল। হাদিসের ব্যাপারে শাস্ত্রে তাঁর অবস্থান ছিল অনেক উপরে। যেমনটা বলেছেন ইমাম ইয়াহিয়া ইবনে মুইন রহ. ,ইমাম বোখারি রহ. এর উস্তাদ মাক্কি ইবনে ইবরাহীম রহ.,আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক রহ. ,ইয়াহিয়া ইবনে সাইদ আল কাত্তান রহ., প্রখ্যাত তাবেই ইসরাইল রহ. সহ হাদিসের অনেক ইমাম গণ। বাকি বর্ণনা কম হওয়ার কারণ ভিন্ন। যেমনটা ইয়াহইয়া ইবনে নসর রহ.বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ আমি ইমাম আবু হানিফা রহ. কে বলতে শুনেছি , তিনি বলেছেন আমার কাছে হাদিসের বহু বড় সিন্দুক রয়েছে। তা থেকে উপকারী অল্প কিছু হাদিসই আমি বর্ণনা করেছি মাত্র। (আল খাইরাতুল হিসানঃপৃষ্ঠা- ২১১)
প্রচারেঃwww.jirubd.com

পহেলা বৈশাখ বিজাতীয় কালচার

একটু পর্যালোচনা ঃ পহেলা বৈশাখ কখন থেকে শুরু ?
*********************************************************
পয়লা বৈশাখ বা পহেলা বৈশাখ (বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ) বাংলা সনের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ। । গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে ১৪ই এপ্রিল অথবা ১৫ই এপ্রিল পহেলা বৈশাখ পালিত হয়। বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৪ই এপ্রিল এই উৎসব পালিত হয়। বাংলা একাডেমী কর্তৃক নির্ধারিত আধুনিক পঞ্জিকা অনুসারে এই দিন নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
বাংলা দিনপঞ্জীর সঙ্গে হিজরী ও খ্রিস্টীয় সনের মৌলিক পার্থক্য হলো হিজরী সন চাঁদের হিসাবে এবং খ্রিস্টীয় সন ঘড়ির হিসাবে চলে। এ কারণে হিজরী সনে নতুন তারিখ শুরু হয় সন্ধ্যায় নতুন চাঁদের আগমনে। ইংরেজি দিন শুর হয় মধ্যরাতে। পহেলা বৈশাখ রাত ১২ টা থেকে শুরু না সূর্যোদয় থেকে শুরু এটা নিয়ে অনেকের দ্বিধাদ্বন্দ্ব আছে, ঐতিহ্যগত ভাবে সূর্যোদয় থেকে বাংলা দিন গণনার রীতি থাকলেও ১৪০২ সালের ১ বৈশাখ থেকে বাংলা একাডেমী এই নিয়ম বাতিল করে আন্তর্জাতিক রীতির সাথে সামঞ্জস্য রাখতে রাত ১২.০০টায় দিন গণনা শুরুর নিয়ম চালু করে।
গ্রেগরীয় সনের মতন বঙ্গাব্দেও মোট ১২ মাস। এগুলো হল ‌ বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ণ, পৌষ, মাঘ, ফাল্গুন ও চৈত্র। । বঙ্গাব্দ সব সময়ই গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর চেয়ে ৫৯৩ বছর কম।
ইতিহাসঃ
*********
বঙ্গাব্দের সূচনা সম্পর্কে ২টি মত চালু আছে।
প্রথম মত ,
*********
ভারতে ইসলামী শাসনামলে হিজরী পঞ্জিকা অনুসারেই সকল কাজকর্ম পরিচালিত হত। মূল হিজরী পঞ্জিকা চান্দ্র মাসের উপর নির্ভরশীল। চান্দ্র বৎসর সৌর বৎসরের চেয়ে ১১/১২ দিন কম হয়। কারণ সৌর বৎসর ৩৬৫ দিন, আর চান্দ্র বৎসর ৩৫৪ দিন। একারণে চান্দ্র বৎসরে ঋতুগুলি ঠিক থাকে না। আর চাষাবাদ ও এজাতীয় অনেক কাজ ঋতুনির্ভর। এজন্য ভারতের মোগল সম্রাট আকবরের সময়ে প্রচলিত হিজরী চান্দ্র পঞ্জিকাকে সৌর পঞ্জিকায় রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সম্রাট আকবর ইরান থেকে আগত বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিদ আমির ফতুল্লাহ শিরাজীকে হিজরী চান্দ্র বর্ষপঞ্জীকে সৌর বর্ষপঞ্জীতে রূপান্তরিত করার দায়িত্ব প্রদান করেন। ফতুল্লাহ শিরাজীর সুপারিশে পারস্যে প্রচলিত সৌর বর্ষপঞ্জীর অনুকরণে ৯৯২ হিজরী মোতাবেক ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আকবর হিজরী সৌর বর্ষপঞ্জীর প্রচলন করেন। তবে তিনি ঊনত্রিশ বছর পূর্বে তার সিংহাসন আরোহনের বছর থেকে এ পঞ্জিকা প্রচলনের নির্দেশ দেন। এজন্য ৯৬৩ হিজরী সাল থেকে বঙ্গাব্দ গণনা শুরু হয়। ৯৬৩ হিজরী সালের মুহররম মাস ছিল বাংলা বৈশাখ মাস, এজন্য বৈশাখ মাসকেই বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস এবং ১লা বৈশাখকে নববর্ষ ধরা হয়।
দ্বিতীয় মত
***********ঃ
- প্রাচীন বঙ্গদেশের (গৌড়) রাজা শশাঙ্ক (রাজত্বকাল আনুমানিক ৫৯০-৬২৫ খ্রিস্টাব্দ) বঙ্গাব্দ চালু করেছিলেন। সপ্তম শতাব্দীর প্রারম্ভে শশাঙ্ক বঙ্গদেশের রাজচক্রবর্তী রাজা ছিলেন। আধুনিক বঙ্গ, বিহার ও ওড়িশার অধিকাংশ এলাকা তাঁর সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল৷ অনুমান করা হয় যে, জুলীয় বর্ষপঞ্জীর বৃহস্পতিবার ১৮ মার্চ ৫৯৪ এবং গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর শনিবার ২০ মার্চ ৫৯৪ বঙ্গাব্দের সূচনা হয়েছিল।
বৈশাখী উৎসব নামে যা হচ্ছে তা ইসলামী অনুকরণীয় সময়ে ছিলনা
********************************************************************
মুলত পহেলা বৈশাখে হিন্দু ধর্মাবলম্বী লোকজন ১৯১৭ সালে প্রথম হোম কীর্তন ও পুজার মাধ্যমে এ দিবস উদযাপন করেন। যেটা তারা ইংরেজ বিরোধিতার অংশ হিসেবে মনে করে।
মাঝে দীর্ঘ সময় আর কোন আনুষ্ঠানিক রুপে এ ধরনের অনুষ্ঠানের কথা ইতিহাসে পাওয়া যায় না।
১৯৬৭ সালে আবার বৈশাখ পালন শুরু হয়।
আমাদের আদর্শ বিরোধী যা যা হচ্ছেঃ
*************************************
১) এ দিবস কে শুভ মনে করা।
২)মহিলারা হিন্দুদের মত সিধুর লাগানো।
৩) ঢোল তবলা বাজানো
৪) হোলিখেলা
৫) মেলা করা
৬)জুয়ার আড্ডা বসানো
৭) পান্তা ইলিশ খাওয়ার নামে অপচয় করা
৮) মঙ্গল শোভাযাত্রা করা।
১০) বিভিন্ন মূর্তি বানানো
আরও বহু কিছু যার সাথে ইসলাম মুসলমানের কোন সম্পরক নাই।
প্রচারেঃ www.jirubd.com

কিছু উপকারি টিপস জেনে রাখা ভাল

কিছু উপকারি টিপস, জেনে রাখা ভাল
******************************************
৪টি জিনিস শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করেঃ
(১) গোস্ত খাওয়া (২)সুঘ্রাণ নেয়া(৩)বেশী বেশী গোসল করা(৪)সুতি কাপড় পরিধান করা
৪টি জিনিস দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়
(১) কাবার সামনে বসা(২)শোয়ার সময় সুরমা লাগানো(৩)সবুজ তরুলতা দেখা(৪)পরিচ্ছন্ন জায়গায় বসা
৪টি জিনিস মেধা বৃদ্ধি করে
(১) অনর্থক কথা থেকে বাঁচা(২)দাঁত পরিষ্কার রাখা(৩)নেককার লোকদের মাজলিসে বসা(৪)উলামায়ে কেরামের সুহবাতে থাকা।
৪টি জিনিস রিজিক বাড়ায়
(১) তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া(২)বেশী বেশী ইস্তেগফার পড়া(৩)বেশী বেশী সদকা।করা (৪)বেশী বেশী যিকির করা। প্রচারেঃwww.jirubd.com

বর্তমান প্রচলিত তাবলীগ জামাত গোমরাহ নয়

বাঁকা প্রশ্নের সোজা উত্তর
প্রশ্নঃবর্তমান প্রচলিত তাবলীগ জামাত গোমরাহ। কেননা তাদের তাবলীগ আর রাসুলের সা. তাবলীগ এক নয় বরং তাদের এ কাজ দাওয়াতের অন্তর্ভুক্তই না। কেননা তারা বিধর্মীদের দাওয়াত দেয় না। দাওয়াত দেয় মুসলিমদের।মুসলিমদের আবার কিসের দাওয়াত?
উত্তরঃ এ কথাটি সঠিক নয়। বরং বর্তমান দাওয়াত ও তাবলীগ জামাত যা মাও.ইলিয়াস রহ.নবীজি সা. ও সাহাবাদের কাজের নমুনা কে সামনে রেখে শুরু করেছেন তা ১০০%হকের উপর আছে। এ ব্যাপারে সমস্ত হক্কানি উলামায়ে কেরাম একমত।
দ্বিতীয়ত আপনি প্রশ্নে উল্লেখ করেছেন তারা অমুসলিমদের কে দাওয়াত দেয় না। এ কথাটি ও সঠিক নয়। ভারতে তাবলীগী একজন মুরুব্বী আছেন মাও.কালিম সিদ্দিকী দা.বা. যার হাতে লক্ষ লক্ষ হিন্দু মুসলিম হয়েছেন।আমাদের বাংলাদেশেও উলামায়ে কেরামের সমন্বয়ে বৃহৎ একটি জামাত এ কাজ আঞ্জাম দিচ্ছেন।
তৃতীয়ত আপনার বুঝা উচিত অমুস্লিমদের কাছে দাওয়াত দেয়া হয় ইমানের আর মুসলিমদের কাছে দাওয়াত দেয়া হয় ইমান বাড়ানোর এবং আমল বৃদ্ধি করার এতে সমস্যা কী?
আপনি কী এটা প্রমাণ করতে পারবেন তারা কোন মুসলিমের কাছে গিয়ে বলেছে নতুনভাবে মুসলমান হওয়ার জন্য?বরং তারা বলে আমল বাড়ানোর জন্য। আশা করি উত্তর পেয়েছেন।
প্রচারে ঃWWW.JIRUBD.COM